প্রকাশকাল: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশ বারো বছর আগে ই-জিপি পোর্টালের মাধ্যমে ই-প্রকিউরমেন্ট চালু করে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল সরকারি কেনাকাটায় দুর্নীতির ঝুঁকি কমানো, ন্যায্য প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
বেশ কিছু ভালো ফল পাওয়া গেলেও, ই-জিপি ব্যবস্থা দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যোগসাজশে দরপত্র দাখিলের চর্চা কমাতে তেমন কোনো বড় পরিবর্তন আনতে পারেনি। টিআইবি-র ২০২৩ সালের একটি গবেষণাতেও এই ব্যবস্থার কিছু দুর্বলতার কথা বলা হয়েছে।
প্রায় ৪৬% কাজের জন্য সব মিলিয়ে চারটির কম দরপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ৬৫% ওটিএম (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কাজের ক্ষেত্রে চারজনেরও কম দরদাতা পাওয়া যায়। উদ্বেগের বিষয় হলো, প্রতি পাঁচটি কাজের মধ্যে একটি কাজ শুধুমাত্র একটি দরপত্রের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। এতে প্রতিযোগিতার অভাবের চিত্র স্পষ্ট।
এছাড়াও, শীর্ষ ৫% ঠিকাদার প্রায় ৩০% ই-কন্ট্রাক্ট নিয়ন্ত্রণ করে, এবং বাজারে তাদের আধিপত্য বেড়েই চলেছে। গত দশ বছরে, এই শীর্ষ ৫% ঠিকাদারের বাজারের অংশ প্রায় ১২% বেড়েছে। অর্থাৎ সংখ্যায় নগণ্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সরকারি কেনাকাটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সরকারি কেনাকাটার ক্ষেত্রে বাজারের গঠন বোঝাটা খুব জরুরি। এর মাধ্যমে দরদাতা এবং চুক্তিকারী সংস্থা – উভয় পক্ষ কীভাবে কাজ করে এবং একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তা বিশ্লেষণ করা যায়।
আরও জানতে -