বাংলাদেশে ই-সরকারি ক্রয়: প্রতিযোগিতামূলক চর্চার প্রবণতা বিশ্লেষণ (২০১২-২০২৩)

প্রকাশকাল: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বিশ্বব্যাপী সরকারি সংস্থাসমূহের কার্যক্রম পরিচালনায় পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট’ বলতে সরকারি সংস্থা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক সরকারি তহবিল ব্যবহার করে পণ্য, সেবা এবং নির্মাণকাজ ক্রয়ের প্রক্রিয়াকে বোঝায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) গড়ে ১৩% থেকে ২০% পর্যন্ত পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট খাতে ব্যয় করা হয় এবং বৈশ্বিকভাবে পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট কার্যক্রমে মোট ব্যয়ের পরিমাণ আনুমানিক ১১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওপেন কনট্র্যাক্টিং পার্টনারশিপ এবং স্পেন্ড নেটওয়ার্কের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বিশ্বব্যাপী পাবলিক প্রোকিউরমেন্টের মোট মূল্য আরও বেশি হতে পারে, যা প্রায় ১৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। তদুপরি, সরকারি ক্রয় কার্যক্রমের প্রকৃত পরিমাণ প্রায়ই কম হিসেবে নিরূপিত হয় বা সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয় না, কারণ ছোট বা নিয়মিত ক্রয়গুলো সাধারণত এই হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করা হয় না এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রতিরক্ষা খাতের ক্রয় কার্যক্রমও অনেক সময় বিবেচনায় আনা হয় না।

হিসাব নিরূপণে চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, এটি সুপ্রতিষ্ঠিত যে সরকারসমূহ নিজ নিজ অর্থনীতিতে যেমন, তেমনি বৈশ্বিক পর্যায়েও সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী ক্রেতা। ফলে, মানসম্মত সেবা প্রদান নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সরকারসমূহের কাছ থেকে দক্ষতা ও উচ্চমাত্রার সততার সঙ্গে পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যাশা করা হয়। পাশাপাশি, টেকসই ক্রয়ব্যবস্থা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)–এর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য (লক্ষ্যমাত্রা ১২.৭), যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের কথা রয়েছে।

বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকগুলোতে ক্লিক করুন


অন্যান্য গবেষণা প্রতিবেদন