প্রকাশকাল: ১৫ জানুয়ারি ২০১৫
প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিকতা
ওষুধ জীবন রক্ষার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে বিবেচিত। ওষুধ নিয়ন্ত্রণের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ওষুধ শিল্প সংবেদনশীল হওয়ায় বিশ্বব্যাপি এর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়। বাংলাদেশে ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কর্মকান্ড পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে ‘ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর’। এ অধিদপ্তরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্রয়সাধ্যমূল্যে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণ এবং দেশে ওষুধের উৎপাদনসহ আমদানীকৃত ও রপ্তানিযোগ্য ওষুধের গুণগত মান ও কার্যকরতা নিশ্চিত করা।
বর্তমানে আমাদের দেশিয় চাহিদার ৯৭ শতাংশ ওষুধ দেশিয় কোম্পানি কর্তৃক উৎপাদন হচ্ছে। তৈরি পোশাক খাতের পরবর্তী সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে ওষুধ শিল্পকে বিবেচনা করা হয় যার গড় প্রবৃদ্ধির হার ২১.৩৯ শতাংশ। ওষুধ খাতের সুষ্ঠু বিকাশ ও মান সম্মত উৎপাদন ও ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। ওষুধ খাতের নিয়ন্ত্রক এ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারিভাবে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে মাঠ পর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, ওষুধ পরীক্ষাগার পুনঃস্থাপন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ, যা এখনও চলমান রয়েছে। এছাড়া ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক ভেজাল ও নকল ওষুধ প্রতিরোধে বিভিন্ন সময়ে অভিযান জোরদারকরণসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ২০১৩ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে অধিদপ্তরে একটি নৈতিকতা কমিটি গঠন এবং সেবাদান প্রক্রিয়ায় গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইনোভেশন টিম গঠন উল্লেখযোগ্য।
বিস্তারিত জানতে নিচে ক্লিক করুন