চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টম হাউজে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় অটোমেশন: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়

প্রকাশকাল: ১৪ জুলাই ২০১৪

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে পণ্য শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় অটোমেশন: বর্তমান অবস্থা

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ওয়েব-ভিত্তিক অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে অনলাইনে আমদানি-রপ্তানি কনসাইনমেন্টের চালান সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য ও অন্যান্য নথিপত্র সরবরাহ এবং যাচাই-সাপেক্ষে ব্যাংকে অনলাইনে শুল্ক পরিশোধ করার মাধ্যমে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কাস্টম হাউজে অটোমেশন বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে যে কোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিল-অফ-এন্ট্রি ও বিল-অফ-এক্সপোর্ট ফরম পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। আমদানি প্রক্রিয়ায় অনলাইনে আইজিএম দাখিলের পর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বিল-অফ-এন্ট্রি ফরম পূরণ করলে স¦য়ংক্রিয়ভাবে উক্ত ফরমে রেজিস্ট্রেশন নম্বর জেনারেট হচ্ছে। পরবর্তীতে আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে কায়িক পরীক্ষার প্রয়োজন না হলে, অনলাইনে বিল-অফ-এন্ট্রি ফরম পূরণ করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্যের এইচএস (ঐঝ) কোড অনুযায়ী শুল্ক নির্ধারণ হয়ে যায় এবং শুল্কের পরিমাণ বিল-অফ-এন্ট্রি ফরমে সরাসরি চলে আসে। অনুরূপভাবে রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রেও বিল-অফ-এক্সপোর্ট ফরম পূরণ করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্যের ধরন ও মূল্য অনুসারে শুল্কায়ন সংক্রান্ত সার্ভিস চার্জ, সিঅ্যান্ডএফ সংশ্লিষ্ট আয়কর ও ভ্যাটের পরিমাণ নির্ধারণ হয়ে যায়। শুল্ক নির্ধারণের পর শুল্ক কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে (রিলোড) আমদানিকৃত ননকমার্শিয়াল বা বন্ডেড পণ্যের নির্ধারিত শুল্ক অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পরিশোধ হয়ে যায়। একইভাবে রপ্তানি পণ্যের জন্য শুল্কায়ন সংক্রান্ত সার্ভিজ চার্জ ও অন্যান্য ফি অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধিত হয়ে থাকে।

বিস্তারিত জানতে নিচে ক্লিক করুন-


অন্যান্য গবেষণা প্রতিবেদন