অব্যবহৃত-অকেজো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ডিসপোজালের ক্ষেত্রে টিআইবির পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ

প্রকাশকাল: ০৫ মে ২০২৬

নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারে রাজনৈতিক দল ও সার্বজনীন আপত্তির প্রেক্ষিতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ সংশোধন করে নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার বাতিল করা হয়। এ প্রেক্ষিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে ক্রয়কৃত দেড় লাখ (১,৫০,০০০) ইভিএম নির্বাচন কমিশনের কাছে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নির্বাচন কমিশন ইভিএমগুলো পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অথচ ইভিএম-এ প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড, মাইক্রোকন্ট্রোলার, ডিসপ্লে, প্লাস্টিক ও ধাতব আবরণ থাকে, যা সুনির্দিষ্ট আইনসম্মত ও বৈশ্বিক উত্তমচর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিসপোজাল প্রটোকল না মেনে এবং পরিবেশ আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত না করে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোড়ানো হলে পানি, বায়ু ও মাটি দূষণ এবং দূষণজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধিসহ পরিবেশের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি সাধিত হবে। এক্ষেত্রে বৃহৎ ইলেকট্রনিক পণ্য ব্যবহারকারী হিসেবে নির্বাচন কমিশন দেশে বিদ্যমান বিধিমালায় অনুমোদিত এবং বৈশ্বিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সর্বোত্তম পন্থা অনুসরণ করে যথাযথভাবে ইভিএমজনিত ই-বর্জ্য নিষ্পত্তির মাধ্যেমে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে বলে মনে করছে টিআইবি।

এ প্রেক্ষিতে অব্যবহৃত-অকেজো ইভিএমগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে টিআইবি প্রণীত ``বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’’ শীর্ষক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে প্রণীত একটি পলিসি ব্রিফ নির্বাচন কমিশনের সহায়ক হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনঃ


অন্যান্য পলিসি ব্রিফ