দুদক সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন

প্রকাশকাল: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

গৌরবময় জুলাই ‘২৪ গণঅভ্যুত্থানে চৌর্যতান্ত্রিক (ক্লেপ্টোক্রেটিক) সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ এখন একটি নতুন যাত্রার সন্ধিক্ষণে। এই নতুন যাত্রার সোপান বিনির্মাণে রাষ্ট্রসংস্কারের অংশ হিসেবে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোনো বিকল্প নেই। সেই উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৩ অক্টোবর ২০২৪ তারিখের গেজেট প্রজ্ঞাপনের (এস আর ও নম্বর ৩৩২-আইন/২০২৪) মাধ্যমে “দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন” গঠন করে। উক্ত প্রজ্ঞাপন অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের কার্যপরিধি হলো বিদ্যমান দুর্নীতি দমন কমিশনকে কার্যকর, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়িয়া তুলিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাবনা’ প্রস্তুতকরণ।

এই সংস্কার কমিশন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কার্যপরিধি অনুসারে নিজ দায়িত্বে পালনের উদ্দেশ্যে প্রাথমিকভাবে দুর্নীতি দমন-বিষয়ক গবেষণাধর্মী প্রকাশনা, বৈশ্বিক উত্তম চর্চা (global best practices) বিষয়ক প্রতিবেদন এবং দুদক-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইন, বিধি, নীতিমালা, প্রতিবেদন ও প্রকাশনা পর্যালোচনার পর প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রসমূহ (দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা, আইনি কাঠামো, কার্যপদ্ধতি, জবাবদিহিতা, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা ও সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ সুশাসন, পেশাগত দক্ষতা, দুর্নীতি প্রতিরোধী ভূমিকা এবং আন্তঃএজেন্সি সমযোগিতা ও সমন্বয়) চিহ্নিত করে। সর্বসাধারণের মতামত সংগ্রহের পাশাপাশি এই সংস্কার কমিশন উক্ত ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে নানাবিধ পদ্ধতিতে বিভিন্ন স্তরের অংশীজনের মতামত সংগ্রহ করেছে।

সংগৃহীত তথ্য, মতামত ও সুপারিশসমূহ বিচার বিশ্লেষণের পর, সংস্কার কমিশন দুদককে কার্যকর, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এই প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

 

বিস্তারিত প্রতিবেদনের জন্য নিচের লিঙ্ক দেখুন


অন্যান্য আইন পর্যালোচনা