pic_ms_iacd7_16_en.jpg

শিক্ষকদের নৈতিক আচরণ-বিধি

User Rating:  / 37
PoorBest 

শিক্ষকদের নৈতিক আচরণ-বিধি

শিক্ষক সমাজ একটি দেশের সামগ্রিক অবকাঠামো গঠনের প্রধান হাতিয়ার। সুশিক্ষা একটি জাতিকে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। সমাজে আলোকিত মানুষ গঠনে একজন শিক্ষকের অবদান অনস্বীকার্য। আর আলোকিত মানুষ তৈরি করার মাধ্যমেই কেবল গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠন সম্ভব। যেহেতু  শিক্ষকগণ দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক তৈরি করেন, অর্থাৎ একজন শিক্ষকই তৈরি করতে পারেন একজন ভালো বিচারক, প্রশাসক সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কবি, ডাক্তার, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ। তাই দেশে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন নীতিমালার মতো শিক্ষকদেরও একটি নৈতিক আচরণ-বিধি থাকা প্রয়োজন যার নিয়মাবলী বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ মেনে চলবেন।
নৈতিক আচরণবিধির দুটি অংশ: (ক) নৈতিকতা বিধি এবং (খ) আচরণ বিধি
(ক) নৈতিকতা বিধি
১. সংবিধানের প্রতি সম্মান
১.১ প্রত্যেক শিক্ষকের দেশপ্রেম, রাষ্ট্রীয় সংবিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, দেশীয় সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা করা এবং ছাত্রদের এসব বিষয়ে উজ্জীবিত এবং দৃঢ় প্রতীজ্ঞ করতে শপথনামা পাঠ করানো।
১.২ দুর্নীতিমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও সুশাসিত স্বদেশ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অখন্ডতা রক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের সচেতন করা।
১.৩  সংবিধানে বর্ণিত অধিকারসমূহকে সমর্থনের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনে অনুশীলন করা।
১.৪ বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে শিক্ষাকে মুনাফা অর্জনের জন্য পণ্য হিসেবে ব্যবহার না করা।  
১.৫ একজন শিক্ষক শিক্ষা ও গবেষণামূলক অথবা পরীক্ষামূলক কাজের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে পারেন যদি না সেটা রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী হয়।
১.৬ জাতি, ধর্ম, গোত্র, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে অসাম্প্রদায়িকতা, বিশ্ব-ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও মানুষে মানুষে সহমর্মিতাবোধ গড়ে তোলা এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা।

২. দেশের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা
২.১ প্রত্যেক শিক্ষককে দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।
২.২ বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি ইতিবাচক অর্জনের কথা (বৃটিশবিরোধী আন্দোলন, ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী গণ-আন্দোলন), এসব আন্দোলনে তরুণদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা শিক্ষার্থীদের জানানো।
২.৩ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, লক্ষ্য ও চেতনাকে অর্থাৎ দেশাত্মবোধ, জাতীয়তাবোধ, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা, নৈতিক মূল্যবোধ, নিরপেক্ষতা, অসাম্প্রদায়িক-চেতনাবোধ, মানবাধিকার সচেতনতা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, শৃঙ্খলা, সৎ জীবনযাপনের মানসিকতা, সৌহার্দ্য, অধ্যবসায় নারী-পুরুষের সমান অধিকার ইত্যাদি মূল্যবোধগুলোর প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকা।
২.৪ প্রত্যেক শিক্ষক বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা তথা  সামাজিক , প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, আইনগত বিচার বিশেøষণ ও পর্যালোচনা করবেন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন।

৩. বিরত থাকা/ বর্জনীয়:
৩.১ প্রত্যেক শিক্ষক কোন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধকরণ বা প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তিনি নিজেও কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারবেন না। নিজস্ব ধর্মপালনে বা উপাসনালয়ে যাওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা তিনি ভোগ করবেন। কিন্তু অন্যের ধর্মের বিরূদ্ধে কোন নেতিবাচক মতামত বা প্রভাব বি¯Íার বিশেষভাবে বর্জনীয়। তাঁর পদ অথবা প্রাতিষ্ঠানিক বা রাজনৈতিক শক্তির অপব্যবহার করতে পারবেন না।
৩.২. শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী, আদিবাসীসহ সকল ক্ষুদ্রজাতিসত্তার অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের অবজ্ঞাা এবং তাদের সংস্কৃতি ও ভাষাকে অবহেলা না করা।
৩.৩  মানবাধিকার লঙ্ঘন, নারী-পুরুষের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বঞ্চনা ও নির্যাতন থেকে বিরত থাকা সহ সকল শিক্ষার্থীর সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা ।
৩.৪ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন শিক্ষার্থী বা অভিভাবককে কোনরূপ বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না।
৩.৫ ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ, অর্থনৈতিক অবস্থান বা জন্মস্থানের কারণে কোন সহকর্মী অথবা শিক্ষার্থীর প্রতি বৈষম্য, কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভের সুবিধা প্রদান করবেন না।
৩.৬ কোন ক্রমেই কারো বিরুদ্ধে কোন মিথ্যা অভিযোগ আনবেন না।
৩.৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষা সমাপ্তির পরে অথবা অন্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের স্থানান্তর ব্যতীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত কোন শিক্ষার্থীর সাথে কোন শিক্ষক বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন না।
৩.৮ একজন শিক্ষককে সামাজিক রীতিনীতির বাইরে অর্থাৎ সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না।
৩.৯ শিক্ষার্থী অথবা অন্য কারো সাথে কোন অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন অথবা অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করা বা প্ররোচিত করা বা জোড় করা, যৌন হয়রানি, ধর্ষণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
৩.১০ মাদক বা নেশা জাতীয় দ্রব্য, জুয়া, অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন তথা একজন শিক্ষকের আত্মমর্যাদা বিঘ্নিত হয় অথবা সর্বোপরি সামাজিকভাবে হেয় বলে প্রতীয়মান হয় এ ধরণের  অনৈতিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা।
৩.১১ উপঢৌকন হিসেবে কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ, মূল্যবান বস্তু অথবা যেকোন প্রকার সাহায্য প্রাপ্তির আবেদন করতে পারবেন না।

(খ) আচরণ বিধি
৪. দক্ষতা এবং যোগ্যতা
৪.১ প্রত্যেক শিক্ষককে অবশ্যই শারীরিক, মানসিক এবং নৈতিকভাবে যোগ্য হতে হবে। মানসম্মত দক্ষ নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকই পারেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ ও দুর্নীতিবিরোধী চেতনা সৃষ্টি করতে।
৪.২ কর্মনিষ্ঠা একজন শিক্ষকের অবশ্য পালনীয়। তাঁর নিজ দায়িত্ব গুরুত্ব সহকারে পালন করতে হবে। নিয়মানুবর্তিতা তাঁর এক অন্যতম যোগ্যতা বলে বিবেচিত হবে।
৪.৩ শিক্ষকের আচরণ রূঢ় না হয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবে। পাঠদানে সৌজন্যবোধ এবং শিষ্টাচার থাকতে হবে। শিক্ষকের আচরণে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষুদ্ধ, বেদনাহত বা অপমানিত না হয় এ বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে। 
৪.৪ স্বার্থপরতা ও নিষ্ঠুরতা উপেক্ষা করে মমতা, সহানুভূতি, দয়া ইত্যাদি সুকুমার বৃত্তিগুলোর প্রয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা।
৪.৫ অশুদ্ধ বাংলাভাষায় শিক্ষাদানে বিরত থাকা। এজন্য বাংলাভাষায় পারদর্শিতা অর্জনে সচেষ্ট হওয়া।
৪.৬ প্রত্যেক শিক্ষককে মননশীল, যুক্তিবাদী, সেক্যুলার, নীতিবান, নিজের এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কুসংস্কারমুক্ত, পরমতসহিষ্ণু, বিজ্ঞানমনস্ক হওয়া।
৪.৭  দ্রত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার বৈশিষ্ট্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।


৫. পালনীয় এবং করণীয়:
৫.১ জেন্ডার সংবেদনশীল সরকারী সকল নীতি মেনে চলা।
৫.২ বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোতে (শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বুদ্ধিজীবী দিবস ইত্যাদি) প্রত্যেক শিক্ষক নিজে উপস্থিত থাকবেন এবং উক্ত বিষয়ে ছাত্রদের মধ্যে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, বিতর্ক, র‌্যালী, প্রবন্ধ, স্মরণিকা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা।
৫.৩ শিক্ষার্থীদের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনসহ প্রাকৃতিক ও সামাজিক পরিবেশ-সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা।
৫.৪ শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণকালে একে মহান পেশা হিসেবে গণ্য করা।
৫.৫ পাঠদানে উচ্চতম মান বজায় রাখতে গতানুগতিক পদ্ধতি পরিহার করে আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত, যুগোপযোগী, যুক্তিসম্মত বিষয়ে পাঠদান করবেন এবং নিত্যনতুন সমাজ উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন যাতে তিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে জ্ঞাত হতে পারেন।
৫.৬ প্রতিষ্ঠান সংশিøষ্ট কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে এবং অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হলেও তিনি শুধুমাত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে গোপনে সেটা জ্ঞাত করবেন।
৫.৭ আত্ম-উন্নয়নের জন্য অন্যান্য শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

৬. শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক:
৬.১ শিক্ষার্থীর সাথে একজন শিক্ষক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করবেন এবং শিক্ষার্থীদের যে কোন বিষয় অর্থাৎ তাদের ব্যক্তিগত যে কোন সমস্যা সমাধান কল্পে গোপনীয়তা বজায় রেখে পরামর্শকের ভূমিকা পালন করবেন।
৬.২ জোর জবরদস্তি না করে শিক্ষক এমনভাবে শিক্ষাদান করবেন যাতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হয় এবং সৃজনশীল, দক্ষ ও পেশাদার মানবসম্পদে পরিণত হয়। 
৬.৩ মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে বিকশিত ধারা বা কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি করে শিক্ষার্থীদের অনুসন্ধিৎসু মননের অধিকারী করতে শিক্ষকদের উদ্যোগী হওয়া।
৬.৪ শিক্ষককে কখনই শিক্ষার্থীরা ভীতিকর বলে মনে করবে না। শিক্ষকের শ্রেণীকক্ষকে শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয়, নিরাপদ ও আনন্দময় করে তুলতে হবে।
৬.৫ শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাসকে জোরদার করতে তাদেরকে সম্মানের সাথে সম্বোধন করা এবং শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা বা অভিভাবকের সাথে সহযোগী ভূমিকা পালন করে পাঠদান করা।
৬.৬ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অথবা তাঁর পরিবারের সদস্যদের কেউ ব্যক্তিস্বার্থ সংশিøষ্ট কোন কাজে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে পারবেন না।
৬.৭ একজন শিক্ষক তাঁর অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষার্থীকে নিজের কাছে প্রাইভেট পড়ানো এবং কোচিং সেন্টারে পড়তে উদ্বুদ্ধ করতে পারবেন না।
৬.৮ একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক নিজস্ব নৈতিক মূল্যবোধ উপস্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উন্নত চরিত্র গঠনে, জনগণ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে সহায়তা করবেন।

৭ প্রাতিষ্ঠনিক সিদ্ধান্ত:
৭.১ একজন শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী কোন কার্যক্রম গ্রহণ করলে প্রশাসন তাৎক্ষণিক তাঁর বিরুদ্ধে যথযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
৭.২ প্রত্যেক শিক্ষক প্রতিষ্ঠান সংশিøষ্ট ব্যক্তিবর্গকে ( শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক, স্টেক হোল্ডার এবং অন্যান্য ) উক্ত নৈতিক আচরণ নীতিমালা সম্পর্কে জ্ঞাত করবেন।
৭.৩ প্রতিষ্ঠানের আদিষ্ট হয়ে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
৭.৪ একজন শিক্ষক আত্মপ্রচারণামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় জনগণই তাঁকে মূল্যায়ন করবেন।
৭.৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে কোন সাফল্যকে নিজের একক সাফল্য বিবেচনা না করে যৌথ সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
৭.৬ গোপনীয়তা বজায় রেখে সহকর্মীদের ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। তবে সেটা কোন ক্রমেই আক্রমণাত্মকভাবে নয়।
৭.৭ যে কোন পেশাগত দাবী সংশিøষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে জানানো।
৭.৮ শিক্ষক সমিতি ছাড়া অন্য কোন সমিতিতে সংশিøষ্ট না হওয়া।
৭.৯ পেশাগত হীনমন্যতা পরিহার করা।
 
উপসংহার:
শিক্ষকতা শুধু একটি বৃত্তি বা পেশা নয় বরং এটি একটি আরাধনা। আদর্শ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের জ্ঞান ও গুণে মুগ্ধ শিক্ষার্থী শিক্ষককে দেবতাতূল্য মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে। উলিøখিত বিধি-নিষেধগুলো যদি একজন শিক্ষক মেনে চলেন এবং এর ইতিবাচক দিকগুলো প্রয়োগ করেন, তবেই তিনি যথার্থ শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন তথা মানুষ গড়ার কারিগরদের কাছ থেকে দেশ আশা করতে পারে অসংখ্য প্রকৃত দেশপ্রেমিক, বিজ্ঞানমনস্ক আলোকিত মানুষ। 

Comments   

 
+2 #2 rahman 2016-09-03 17:14
Government want to stay on the power year's and year's anyhow. Students are political parties strength, corrupted politicians used students to go to power. University teachers are part of durty political party. They follow what their party boos say. Shame their education, they know they doing wrong but silent because getting something from party. University teachers, students they can't support any party. No good politicians in Bangladesh, all are corrupted, dishonest no humanity they lotting people money, no simpathi for people no love for country. Only love own party people, money and want to stying in power long time anyhow. All good people died in 1971, now everyone involved in corruption. Government is responsible for all this things. I think no government in Bangladesh, if there is Government why everywhere problem and problems. Government never try to solved people problem.
Quote
 
 
+2 #1 Haider 2015-08-18 22:29
Teaching profession is not the first choice of maximum Brilliant student in Bangladesh. Why? Because of Honorary off course. Why teachers are paid low salary specially in MPO school and colleges?
Quote
 

Add comment

Only the commentator have the whole liability for any comment.


Security code
Refresh

Posts by Year