pic_ms_iacd7_16_en.jpg

তথ্যমেলা ও গণশুনানীতে জনগণের ইতিবাচক প্রভাব

User Rating:  / 3
PoorBest 

 

তথ্য কি? তথ্য কেন, কার প্রয়োজন? এই প্রশ্ন অনেকের! অপরদিকে গণশুনানী সম্পর্কেও অনেকের ধারনা কম।

তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ জনগনের জন্য একটি সম্ভাবনাময় পথ তৈরি করেছে।

টিআইবি এর আয়োজনে প্রতিবছর তথ্যমেলা অনুষ্ঠিত হয় প্রতি সনাকে বিভিন্ন লোক সমাগম স্থানে। । গত ১৮ ই জুলাই টিআইবি ও দুদকের যৌথ উদ্যোগে বাগেরহাটের শরণখোলাতে তথ্যমেলা ও গণশুনানী খুব সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হলো।

উক্ত অনুষ্ঠানে সাধারন লোকের অংশগ্রহন নিশ্চিত করার জন্য টিআইবির ইয়েস সদস্য হওয়ার সুবাদে টিআইবি' র পক্ষে প্রচার ও লিফলেট বিতরনে অংশগ্রহন করার সুযোগ হয়েছিলো । আমি সহ আরো কয়েকজন ইয়েস সদস্য আলাদা ভাবে ১২ /০৭/ ২০১৬  তারিখ থেকে ১৭/০৭/২০১৬  তারিখ পর্যন্ত  উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে, হাটবাজারে, লোকসমাবেশ স্থানে, প্রচারপত্র দিয়ে মানুষের সাথে কথা বলতে হয়েছিলো। গ্রামপর্যায়ের অনেকে আমাদের কাছে জানতে চাই " তথ্যমেলা " কি? "গণশুনাণী" কি? এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর বিভিন্ন রকমের প্রতিক্রিয়া আসে। কেউ বলে - এটি একটি ভালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, আমার গণশুনাণীতে কিছু বলার আছে , এটি যেন প্রতি বছর করা হয়। কিছু লোক- একজন উচ্চপদস্ত কর্মকর্তার উদ্যেশ্যে বলে - উনার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে সে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগবে। সুতরাং কেউ কেউ আছে যারা ঝামেলা মনে করে ভয়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বা অনিয়ম সম্পর্কে কোনো অভিযোগ থাকলেও তা বলতে সাহস পায়না। অনেকে প্রতিবাদি হয়ে বলে - আমি আমার অভিযোগ তুলে ধরবো । সুতরাং,কিছু লোক অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলতে পিছুপা হয়না কিন্তু এদের সংখ্যা কম । এদের সংখ্যা বাড়াতে হবে। যাই হোক এই ভাবে প্রতিদিন আমাদের প্রচার ও অভিযোগ গ্রহন চলতে থাকে । বেশি সংখ্যক অভিযোগ ছিল- ভূমি অফিস, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস ইত্যাদি। চোখে পানি চলে আসার মত অনেক অভিযোগ পাওয়া যায়। ১৮ ই জুলাই সকাল ৯ টার পরপরই লোকজন আসতে শুরু করে উপজেলা অডিটোরিয়াম, শরণখোলাতে। অভিযোগ অনেকে করতে চায়।  প্রথম ভাবতে ছিলাম লোক বেশি হবে কিনা? কিন্তু কিছুক্ষণ পর লোকজন অনেক আসতে শুরু করে, বসতে দেওয়ার মত যায়গা থাকে না। অনেকে প্রচন্ড গরমে দাড়িয়ে থেকে প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করে। এইরকম অনুষ্ঠান এই উপজেলায় প্রথম হওয়ায় অনেকে খুবই ভালভাবে উপলব্ধি করে ।

প্রচন্ড লোকের চাপে ও সময় সল্পতায় অনেক অভিযোগ নেওয়া সম্ভব হয়নি। এক এক করে অভিযোগ কারীর সমস্যা গুলোর সমাধানের জন্য উক্ত অফিসের কর্মকর্তা সমাধানের দিক তুলে ধরেন এবং সময় বেধে দিয়ে বলেন উক্ত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে। সবমিলিয়ে উক্ত আয়োজন সকলের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করে। খুবই ভালোভাবে প্রোগ্রাম সম্পূন্ন হয়। 

সর্বশেষ বলা যায় এরকম "তথ্যমেলা ও গণশুনানী" যদি প্রতি বছর সকল  জেলার উপজেলা পর্যায়ে সরকারি উদ্যোগে করা যায় তাহলে আমরা একটি দূর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলাদেশ পাবো। চিৎকার করে বলতে পারবো "কাংক্ষিত স্বদেশ- স্বপ্ন নয়, সত্যি"

 

Comments   

 
0 #1 rahman 2016-09-16 16:04
Brother nothing will be change in Bangladesh, if Allah do something miracle !! Who will change, who sitting on the power they never think people problems, big big officer joined in meeting but no action they take. People complaining about the Ashiyan city housing grabed their house, land everything in Doshkhin khan, Dhaka since 4/5 years, but Government doing nothing. 5 years isn't long time for justice, government don't bother people problem. People lost their rights everywhere not getting justice anywhere. No honest people in Bangladesh ?? Who will give us justice.
Quote
 

Add comment

Only the commentator have the whole liability for any comment.


Security code
Refresh

Posts by Year