pic_ms_iacd7_16_en.jpg

টিআইবি ভুল বলে যখন "আমি একজন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা"

User Rating:  / 2
PoorBest 

টিআইবি'র সাম্প্রতিক খানা জরিপ গবেষণায় উঠে এসেছে পাসপোর্ট সেবায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির কথা। পাসপোর্ট কর্মকর্তারা এর প্রতিবাদ করলেন। এই সেবায় নাকি এখন আর কোনো দুর্নীতি হয় না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যদি আমার মাইন্ড সেট থাকে যে আমি কোনো ঘুষ না দিয়ে পাসপোর্ট করবো তাহলে যে পরিমান অযথা হয়রানি করা হবে তাতে মনে হবে কিছু পয়সা দিয়ে (সরকার নির্ধারিত ফি এর বাইরেও) পাসপোর্ট করানোই মনে হয় ভালো। সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলবেন এটা মনগড়া কথা। মনগড়া কি না এটা জানার জন্য যার পাসপোর্ট নেই এমন কেউ একটু যাচাই করেই দেখুন কথা সত্যি নাকি মিথ্যা।

একটু লক্ষ্য করি যে আসলে দুর্নীতি কিভাবে হয়। প্রথমে নির্ধারিত পূরণ করা ফর্ম জমা নেবার সময় শুরু হয় জমা গ্রহণকারি কর্মকর্তা/কর্মচারির অযথা বাহানা- এখানে ঠিক নেই, ওখানে ভুল, কাটাকাটি কেন, আবার নতুন করে পূরণ করে নিয়ে আসুন এইসব। ৫০০ টাকা ধরিয়ে দিলেই দেখবেন ওই কাটাকাটি করা ফর্ম কেমন সুন্দর ঠিকঠাক। সাদা কাগজও তখন কেমন পবিত্র হয়ে যাবে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের কথা মনে হয় বলার দরকার নেই। সরকার তাদের বেতন থেকে শুরু করে সব দেয় কিন্তু তাদের বক্তব্য হচ্ছে তারা কনভেন্স পায় না। ইত্যাদি ইত্যাদি বাহানায় তাদের ৫০০ টাকা থেকে শুরু হয়। তারপর শুরু হয় ভুয়া সত্যায়ন ইত্যাদি ইত্যাদি। 

অবাক করা বিষয় হচ্ছে এখন অতি দ্রুত পাসপোর্ট এর ব্যবস্থা নেই। ব্যাপার না, ঠিকমতো পয়সা খরচ করলে একদিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এটা একটুও বাড়াবাড়ি বা মিথ্যে কথা নয়। যেকেঊ চাইলেই যাচাই করে দেখতে পারেন এটা সত্যি নাকি মিথ্যা কথা। আমি নিজেই একটিও অতিরিক্ত টাকা খরচ না করে পাসপোর্ট করিয়েছিলাম ২০১০ সালে যখন এর ব্যবস্থাপনায় সরাসরি আর্মি জড়িত ছিল। সেই আমাকে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা খরচ করতে হবে নতুন মেয়াদে পাসপোর্ট করতে। সত্যিই টিআইবি ভুল বলে যখন "আমি একজন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা"।

Comments   

 
0 #2 Zawad Amin 2016-07-21 17:51
আমি নিজে পাসপোর্ট করেছি ৫ মাস মতন হল। অফিসের কোথাও হয়রানি হতে হয়নি শুধু মাত্র পাসপোর্ট অফিসার সৎ হওয়ার কারণে। কিন্তু ভেরিফিকেশনের সময় ঠিকই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে পুলিশ কে। তবে খুব ই আনইউজুয়াল একটা সমস্যা হয়েছে সেটা হল, আমার ব্যক্তিগত তথ্যের জায়গায় দুইটি লাইন ওভার রাইটিং হয়ে গেছে। এটা তাদের দেখার বিষয় ছিল, কিন্তু এখন আমাকেই আবার টাকা খরচ করে রিইস্যু করতে হবে।

ঠিক একই সময়ে আমার বন্ধু জরুরী পাসপোর্ট করে সিরাজগঞ্জ থেকে। ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার বিনিময়ে সে ২ দিনের মাথায় পাসপোর্ট নাম্বার এবং ৪ দিনের মাথায় পাসপোর্ট পায়। আর তারা বলে কি না, দুর্নীতি নেই। হাহাহাহা।
Quote
 
 
0 #1 Jamila Bupasha 2016-07-19 17:00
সুদিন আসবে বলে তাই, আমি স্বপ্ন দেখে যাই
আর একটা করে দিন চলে যায় ------------।

তবে আশা নিয়ে বেঁচে আছি - আমরা পেরেছি, আমরা পারবো।।
Quote
 

Add comment

Only the commentator have the whole liability for any comment.


Security code
Refresh

Posts by Year