• header_en
  • header_bn

আসন্ন কপ ২২ মারাকেশ সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান বিষয়ক সুপারিশঃ চাই জলবায়ু অর্থায়নে উন্নত দেশের প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ, জিসিএফ সহ অভিযোজন তহবিলে বাংলাদেশের অভিগম্যতা এবং তা ব্যবহারে অংশীজনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা

২০১৫ এর ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি)’র কপ (Conference of the Parties-COP) এর ২১ তম সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়। ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর হতে এ চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা। এ প্রেক্ষিতে আগামী ৭-১৮ নভেম্বরে মরক্কোর মারাকাশে অনুষ্ঠিতব্য কপ ২২ সম্মেলনে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রণয়নে আলোচনা করার কথা।
প্যারিস চুক্তিতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অভিযোজন বাবদ শিল্পোন্নত দেশসমূহের সরকারি উৎস হতে অনুদান প্রদানে অগ্রাধিকার প্রদান এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়-ক্ষতি মোকাবেলায় একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। তবে, বাংলাদেশ সহ দ্বীপ রাষ্ট্র গুলোর জন্য শিল্পোন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অভিযোজন তহবিল সংগ্রহ এবং তার ব্যবহারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে টিআইবি সহ বৈশ্বিক নাগরিক সমাজ কপ ২১ সম্মেলনে যে আবেদন জানিয়েছিলো কার্যত তা কৌশলে উপেক্ষা করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে টিআইবি প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নের চারটি চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছে।
অবস্থানপত্র এখানে