• header_en
  • header_bn

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে টিআইবির ব্যাখ্যা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে টিআইবির ব্যাখ্যা

ঢাকা, ১৭ এপ্রিল ২০২২:  টিকা কেনাকাটায় দুর্নীতি এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- টিআইবির অর্থায়নে অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি বিএইচপির নাম জড়িয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউসের যে বক্তব্য আজ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়, বরং বিভ্রান্তিকর এবং ভুল তথ্য ও ধারনা ভিত্তিক।  

জনাব কায়কাউস তার বক্তব্যে, টিআইবিকে উদ্ধৃত করে কোভিড-১৯ টিকা কেনায় গড়ে ৬৯ টাকা ঘুষ দেয়ার যে বিষয় অবতারণা করেছেন সেটি পুরোপুরি বিভ্রান্তিকর। কেননা ১২ এপ্রিল টিআইবি প্রকাশিত ‘করোনা ভাইরাস সংকট মোকাবিলায় সুশাসন : অন্তর্ভুক্তি ও স্বচ্ছতার চ্যালেঞ্জ’ (https://www.ti-bangladesh.org/beta3/index.php/en/highlights/6440-2022-04-12-04-04-49) শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে ৬৯ টাকা ঘুষ দেবার বিষয়টি এসেছে টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রহীতাদের বুথ ফেরত জরিপের ফলাফলে। যা কোনোভাবেই টিকা কেনাকাটার সাথে যুক্ত নয়। এখানে উল্লেখ্য গবেষণার অংশ হিসেবে ৩,৩৯৩ জন টিকাগ্রহীতার দৈবচয়নের ভিত্তিতে ‘এক্সিট-পোল’ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। এরমধ্যে ২ শতাংশ টিকাগ্রহীতা অনিয়ম-দুর্নীতির শিকার হন যার মধ্যে সময়ক্ষেপন, টিকা কেন্দ্রে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ও সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধা দেওয়া, দুর্ব্যবহার এবং কিছু কেন্দ্রে টিকা থাকা সত্ত্বেও টিকাগ্রহীতাদের ফিরিয়ে দেওয়া অন্যতম। এদের মধ্যে আবার অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে দ্রুত টিকা পেতে ১০.১ শতাংশ সেবাগ্রহীতাকে গড়ে ৬৯ টাকা ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে বলে জরিপে উঠে এসেছে। এটি কোনোভাবেই টিকা কেনায় কথিত ঘুষ দেয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।  

মুখ্যসচিব মহোদয় টিআইবির অর্থায়ন নিয়েও ভুল তথ্য বা ধারনার ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ান মাইনিং কোম্পানি বিএইচপির নাম জড়িয়ে ফেলেছেন।  টিআইবি কখোনোই বিএইচপির কাছ থেকে কোনো ধরনের তহবিল গ্রহণ করেনি এবং করার প্রশ্নও আসেনি। বিএইচপির সাথে টিআইবির কখনো কোনোভাবেই পরিচিতি বা যোগাযোগও হয়নি। টিআইবিকে মূলত অর্থায়ন করে আসছে ব্রিটিশ ফরেইন, কমনওয়েলথ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও), সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন এজেন্সি (সিডা) এবং সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট এন্ড কোঅপারেশন (এসডিসি)। এ সংক্রান্ত সকল তথ্য টিআইবির ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত রয়েছে। 

টিআইবির অর্থায়ন ও উল্লিখিত গবেষণা প্রতিবেদন বিষয়ে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে টিআইবি গবেষণা ও অর্থায়ন বিষয়ে সকল প্রকার তথ্য বিনিময় ও অধিপরামর্শ কার্যক্রমে আগ্রহী।  

 

গণমাধ্যম যোগাযোগ: 

শেখ মনজুর-ই-আলম 

পরিচালক, আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন 

মোবাইল: ০১৭০৮৪৯৫৩৯৫  

ই-মেইল:  This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.