• header_en
  • header_bn

এই গবেষণার উদ্দেশ্য হল ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও তার কারণ, ফলাফল ও প্রভাব চিহ্নিত করা এবং গবেষণায় প্রাপ্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যথাযথ সুপারিশ প্রদান করা। এ গবেষণায় স্থানীয় পর্যায়ে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ সংক্রান্ত কার্যক্রম, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে সরকারিভাবে জরুরি সাড়া প্রদান, ত্রাণ কার্যক্রম এবং জরুরি পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং বেসরকারিভাবে উপকারভোগী নির্বাচন এবং ত্রাণ কার্যক্রম সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। উল্লিখিত পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে সুশাসনের চারটি নির্দেশক, যথা- স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অংশগ্রহণ এবং শুদ্ধাচার এর ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় পূর্ববতী সময়ে সতর্ক বার্তা, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে স্থানান্তর, প্রয়োজনীয় ত্রাণ এবং অর্থ বরাদ্দ ও শুকনো খাবার মজুদ এবং অন্যান্য সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি এ গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে ত্রাণ বিতরণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাই এবং পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের চাহিদা নিরূপনকে এ গবেষণার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। এই গবেষণায় ২০১৬ সালের মে থেকে জুন মাস পর্যন্ত রোয়ানু সংক্রান্ত তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে এবং তথ্য সংগ্রহের মেয়াদকাল ছিল মে, ২০১৬ থেকে জানুয়ারি, ২০১৭। এটি একটি গুণগত গবেষণা বিধায় উপস্থাপিত তথ্য ও গবেষণার ফলাফল সাধারণীকরণ করা যাবেনা এবং গবেষণার ফলাফল সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। তবে এ ফলাফল রোয়ানুর মতো দুর্যোগ মোকাবেলায় বিদ্যমান সুশাসনের ঘাটতিসমূহের একটি দিক-নির্দেশনা প্রদান করে।

সার-সংক্ষেপ এখানে