• header_en
  • header_bn

Good Governance in Passport Services: Challenges and Way out - Executive Summary (Bangla)

পাসপোর্ট সেবা একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সেবাখাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সেবা জনশক্তি রপ্তানি, ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার, চিকিৎসা এবং বিদেশ ভ্রমনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। বিগত বছরগুলোতে আমাদের দেশে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশসমূহে জনশক্তি রপ্তানি, ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার, উন্নত দেশগুলোতে অভিবাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভ্রমণের জন্য পাসপোর্টের চাহিদা অনেক বেড়েছে। পাসপোর্ট সেবায় আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট অংকের ফি প্রদান করতে হয় ফলে এ সেবার মাধ্যমে সরকার প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমান রাজস্ব আহরণ করে থাকে। পাসপোর্ট খাত থেকে সরকার ২০১০-১১ হতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে গড়ে বছর প্রতি ১১০০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করেছে২। পাসপোর্ট সেবায় নির্দিষ্ট অংকের ফি ছাড়াও বিভিন্ন অনিয়ম, হয়রানি ও দুর্নীতির কারণে আবেদনকারীদের বিভিন্ন পর্যায়ে অতিরিক্ত ব্যয় বহনে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক ২০০৬ সালের পাসপোর্ট সেবা সংক্রান্ত গবেষণায় এ সেবায় প্রক্রিয়াগত জটিলতা, সেবার মান, অবকাঠামো ও জনবল সমস্যা, দালালের দৌরাত্ম্য, পুলিশী তদন্তে অনিয়ম ও দুর্নীতি এ খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্যতম প্রতিবন্ধক হিসেবে চিহ্নিত হয়৩। এছাড়া টিআইবি কর্তৃক ২০১৪-১৫ সালে পরিচালিত “সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ-২০১৫” শীর্ষক জরিপে পাসপোর্ট সেবা সর্ব্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসাবে চিহ্নিত হয় যেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতের মধ্যে পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ৭৭.৭% খানা অনিয়ম, হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হয় এবং তাদের ৭৬.১% খানাকে ঘুষ বা নিয়ম-বহির্ভূত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে।
সার-সংক্ষেপ এখানে