• header_en
  • header_bn

সংসদে বিরোধী দল নেই: টিআইবি

 
জাতীয় পার্টি দশম সংসদে নামে বিরোধী দল হিসেবে থাকলেও সেই দায়িত্ব তারা পালন করতে পারছে না বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি।
কার্যকর বিরোধী দল পেতে দশম সংসদের মেয়াদ ‘সাময়িক’ হবে বলেও আশা করছে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নবম সংসদের পার্লামেন্ট ওয়াচ প্রতিবেদন’ তুলে ধরে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “এ সংসদে বিরোধী দল নেই। সংসদে সরকারি দল রয়েছে। বিরোধী দল বলতে যা বোঝায় সে বিরোধী দল নেই।”
দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেয়া নবম সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও এ সংসদকে ‘বিরোধী দলহীন সংসদ’ বলে সমালোচনা করে আসছেন।
জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়ে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “আক্ষরিক অর্থে তারা বিরোধী দল। তাদের ভূমিকায় বাস্তবে আমরা তা অনুধাবন করতে পারি না। বিরোধী দল মানে বিরোধী দল হবে। বাস্তব অর্থে এ সংসদে বিরোধী দল আছে তা বলতে পারি না।”
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের বর্জনের মধ্যে গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ।৩৪ জন সদস্য নিয়ে এ সংসদে বিরোধী দল হিসেবে রয়েছে জাতীয় পার্টি।দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য রওশন এরশাদ বিরোধী দলীয় নেতা হলেও দলের তিন নেতা মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবি ট্রাস্টি এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, “বিরোধী দল হবে বিরোধী দলের মতো, তারা সরকারের অংশ হবে না।
জাতীয় পার্টি কি তাদের ভূমিকা রাখছে? তারা নামে মাত্র বিরোধী দল।”
সংসদকে কার্যকর করতে বর্তমান সংসদের মেয়াদ ‘সাময়িক’ হবে বলেও মনে করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।
ইফতেখারুজ্জমান বলেন, “আমরা আশা করি-দশম সংসদের ব্যতিক্রমী এ চরিত্রটি হবে সাময়িক। সংসদে কার্যকর বিরোধী দল আসবে।”
তিনি বলেন, ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করতেই ৫ জানুয়ারি ভোট হয়েছে। ওই সময় রাজনৈতিক মহল থেকে বলা হয়েছে- দশম সংসদ নির্বাচন করে একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
রাজনীতিকদের সে প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এ সংসদ ‘সাময়িক’ হবে বলে আশা টিআইবির নির্বাহী পরিচালকের।
একাদশ সংসদ নির্বাচন হলে বিরোধী দলবিহীন সংসদের ‘সংস্কৃতির’ বিলুপ্তি ঘটবে বলে মনে করছেন তিনি।
দশম সংসদ নির্বাচনের পরে একাদশ সংসদ খুব দ্রুত করার জন্য আলোচনা হবে বলে রাজনীতিবিদরা বলেছেন। এখন এ আলোচনা কখন হবে তা রাজনৈতিক বিষয়, ৫ বছরের মধ্যে যে কোনো সময় তা হতে পারে,” বলেন ইফতেখারুজ্জামান।

 

১৮/৩/১৪ তারিখে বিডিনিউজটুয়েন্টিফোর অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত। লিঙ্ক